গৃহবধূকে গাছের সাথে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন

গাছের সাথে দড়ি দিয়ে বেঁধে লোহার রড, তাল গাছের বেকো এবং শাবল দিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় এক গৃহবধূকে নির্যাতন করা হয়েছে।

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার আড়ংগাছা গ্রামে শনিবার সন্ধার আগে এ ঘটনা ঘটে।

গৃহবধূর নাম মাহফুজা খাতুন(৩০)। সে শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ হাজিপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল গফফারের মেয়ে ও কালিগঞ্জ উপজেলার আড়ংগাছা গ্রামের অহিদুল্লাহ গাজীর স্ত্রী। এ ঘটনায় পুলিশ ভিকটিম মাহফ’জাকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করেছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অপরাধে ননদ মাছুমা বেগম (৩০) ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মর্জিনা বেগম (২৫)কে আটক করেছে পুলিশ।

মাহফুজা খাতুনের ভাই বাবলুর রহমান  বলেন, বিয়েরপর থেকে আমার বোন বোনাইয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিলো । একপর্যায়ে আমার বোনাই আমার বোনকে একটি ভ’য়া তালাক দেয় এবং বড় মেয়ে তাওছিয়া খাতুনকে আটকে রাখে । মেয়েকে দেখতে ও তালাকের ঘটনা জানতে আমার বোন শ্বশুর বাড়িতে বাড়িতে যায় । এ সময় বোনের শ্বশুর বাড়ির লোকজন সকলে মিলে তাকে গাছের সাথে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে। একপর্যায়ে মাহফুজার জিহ্বা টেনে ধরে। ব্যাপক মারধরের পরে মাহফুজা নিহত হয়েছে মনে করে তাকে ফেঁলে রেখে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে তার স্বামী, ভাশুর, শশুর, শাশুড়ি, ননদ ও ননদের স্বামী সহ পরিবারের লোকজন।

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবির দত্ত সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন ,খবর পাওয়ার সাথে সাথে আমরা সেখানে গিয়ে তাকে উদ্ধার করি । এ ব্যাপারে ভিকটিমের ভাই লাভলু মোল্লা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন । এ ঘটনায় ২ জনকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Share Button

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *