Saturday, October 16, 2021
spot_img
Homeসোনাগাজীনুসরাত জাহান রাফি হত্যাকাণ্ডে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২ আ.লীগ নেতার মুক্তি চাইলেন উপজেলা চেয়ারম্যান-মেয়র

নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকাণ্ডে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২ আ.লীগ নেতার মুক্তি চাইলেন উপজেলা চেয়ারম্যান-মেয়র

সোনাগাজী পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের পৃথক মতবিনিময় সভায় তারা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন ও পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মকসুদ আলমকে নির্দোষ দাবি করেন। এ সংক্রান্ত দুটি ভিডিও ও বক্তব্য বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

গত ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল সোনাগাজী ফাজিল মাদ্রাসায় নুসরাতকে আগুন লাগিয়ে হত্যার পর থেকে জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন ও রফিকুল ইসলাম খোকন অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেন। হঠাৎ তাদের অবস্থান পরিবর্তনে দলীয় নেতাকর্মী ও জনসাধারণের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

নেতাকর্মী ও জনসাধারণের ধারণা- পৌর নির্বাচনে বৈতরণী পার হতে রুহুল আমিন ও মকসুদ আলমের সমর্থকদের ভোট পেতে তারা তাদের নৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করে সাফাই গেয়েছেন।

সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসায় নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন বলেন, যে মাদ্রাসায় দাঁড়িয়ে আমরা কথা বলছি, সেই মাদ্রাসার একটি ঘটনা আমাদের কপালে কলঙ্কের তিলক এঁকে দিয়েছে আলোচিত নুসরাত হত্যাকাণ্ডে। যে তিলকটির কারণে আমাদের দুইজন ভাই আমাদের দুইজন নেতা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি রুহুল ও পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আলম বিনাদোষে কারাভোগ করছেন। এ সময় মুহুর্মুহু স্লোগান দিয়ে তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানান উপস্থিত নেতাকর্মীরা।

অপরদিকে বুধবার বিকালে মহিলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে নির্বাচনী সভায় পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, আমি চেয়েছি সিরাজ-উদ-দৌলার বিচার হোক কিন্তু মকসুদ আলম ভাই নির্দোষ, তিনি এমন কোনো অপরাধ করেননি যার জন্য তার ফাঁসি হবে। আমি তার মুক্তির জন্য প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে যাব।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর নুসরাত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ। আলোচিত সেই রায়ে মামলার প্রধান আসামি সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলাসহ ১৬ আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments

মামুনুর রশিদ on Communication Skills